রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণে অনিয়ম, চেয়ারম্যান লাঞ্ছিত

রংপুর প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ মে, ২০২১

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহারের ৪৫০ টাকা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই অভিযোগে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আয়নাল হককে বঞ্চিত মানুষজন লাঞ্ছিত করেন। একই অভিযোগে উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ করেন তারা।

বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।

পরে ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে নিয়ে যান।

দুপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্থানীয় সাংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়।

উপজেলা প্রশাসনের একটি সুত্র জানায়, ওই বৈঠকে চেয়ারম্যান আয়নাল হক প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের টাকা সঠিকভাবে বণ্টনের নিশ্চয়তা দেন এবং তাকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

ঘটনাস্থলে থাকা একাধিক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের টাকা না পাওয়ার কথা জানান। তবে তারা কেউ নাম প্রকাশ করতে চাননি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র রায় নিউজবাংলাকে জানান, ১০ নং মধুপুর ইউনিয়নে ছয় হাজার ৯৬ জন দুস্থ অসহায় মানুষের জন্য ৪৫০ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়। সেই টাকা বিতরণ হচ্ছিল ইউনিয়ন পরিষদে। এরই মধ্যে কয়েকজন অভিযোগ করেন, তারা টাকা পাননি। তারা উপজেলা চত্বরে আসেন। এমন সময় চেয়ারম্যান আয়নাল হক এলে তাকে কে বা কারা লাঞ্ছিত করে। পরে তাকে ইউএনওর কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ সময় উপজেলা চত্বরে কয়েকজনকে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।

ঘটনা জানার পর ইউএনওর অফিসে আসেন এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানসহ অনেকেই।

যাদের নাম আছে তারা সবাই প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঈদ উপহার পাবেন বলে জানান উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা।

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, ত্রাণ নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে, পরে সেটা এমপি স্যার, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও স্যার মিলে সমাধান করেছেন।

এ নিয়ে বৈঠকে উপস্থিত থাকা রংপুর-২ আসনের এমপি আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি সুইটকে একাধিকার ফোন করলেও তারা ফোন ধরেনিন। ফোন রিসিভ করেননি মধুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আয়নাল হকও।

তবে এ নিয়ে কথা বলতে বিব্রতবোধ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর