বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন

ডাকাতি, চাঁদাবাজী, অস্ত্র সহ ১৮ মামলার আসামি খাজা গ্রেপ্তার

পদ্মা ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৫ মে, ২০২১

ফরিদপুরে ডাকাতি, চাঁদাবাজী, অস্ত্র সহ ১৮ মামলার আসামি মো. খায়রুজ্জামান ওরফে খাজা মাতুব্বর (৩৫) ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত খাজা সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ভাটি কানাইপুর গ্রামের মৃত হানিফ মাতুব্বরের ছেলে।

গ্রেপ্তার হওয়া খাজার অপর দুই সহযোগী হলেন, কানাইপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের সোহেল মাতুব্বর (২৫) ও মধুখালী উপজেলার ভাটি গোপালদী গ্রামের রাজু পাটোয়ারি (২৫)।

শনিবার (১৫ মে) বিকেল ৩টার দিকে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) জামাল পাশা আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) জামাল পাশা বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া খাজার বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজী, অস্ত্রসহ মোট ১৮টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে অস্ত্র আইনে একটি মামলায় তিনি চার বছর কারাদন্ড ভোগ করে গত সাত মাস আগে জেল থেকে ছাড়া পান। খাজার বিরুদ্ধে পুলিশ বর্তমানে তিনটি মামলার তদন্ত করছে। বাকি ১৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এছাড়া খাজার সহযোগি সোহেল মাতুব্বরের বিরুদ্ধে অপহরণ, চাঁদাবাজীসহ আটটি মামলা এবং অপর সহযোগী রাজু পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।

জামাল পাশা বলেন, গ্রেপ্তারের সময় খাজার জিম্মা থেকে ছিনতাই করে নেওয়া একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এই মোটর সাইকেলটি খাজা গত ১২ এপ্রিল বিকেল চারটার দিকে কানাইপুর ফজলু মিয়ার বাসার সামনে থেকে মো. পারভেজ মোল্লার (৩২) কাছ থেকে ছিনতাই করেছিলেন। এ ঘটনায় পারভেজ বাদী হয়ে গত ১ মে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় দুই লাখ টাকা চাঁদাবাজী ও ছিনতাই এর অভিযোগে খাজাকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় খাজাকে তার দুই সহযোগী সহ শুক্রবার রাতে সদরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের লক্ষ্মীকোল গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, খাজা একজন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী। তার চাঁদাবাজীর শিকার কানাইপুর বাজারের প্রতিটি ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, খাজা সম্প্রতি কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের এক ব্যাক্তি চাঁদা না দেওয়ায় তাকে বস্তার মধ্যে ধরে গুম করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া খাজা ও তার দুই সহযোগীকে জেলার চিফ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর